প্রতিভা জন্মগত হতে পারে, কিন্তু সেই প্রতিভাকে শাণিত করে সাফল্যের পর্যায়ে পৌঁছে দেয় অধ্যবসায়, সঠিক প্রশিক্ষণ ও আন্তরিক পরিচর্যা। সেই বাস্তবতার উজ্জ্বল উদাহরণ মুকসুদপুরের রিজু বিশ্বাস।
২০২৪ সালের নভেম্বরে শিল্পচর্চার হাতে খড়ি। এরপর মাত্র ১৮ মাসের ধারাবাহিক অনুশীলন, প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং নিজের একাগ্র প্রচেষ্টায় রিজু আজ অর্জন করেছে এক অনন্য সাফল্য। জাতীয় শিক্ষা পদক ২০২৬ প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত এবং নৃত্য বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সে।
রিজু বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও চিত্রকলার শিক্ষার্থী। অল্প সময়ের প্রশিক্ষণ নিয়েই তার এই অর্জন স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।
রিজুর এই অর্জনের পেছনে রয়েছেন তার সম্মানিত প্রশিক্ষকবৃন্দ, পরিবার এবং শিল্পকলা একাডেমির নিবেদিত পরিবেশ। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতাই একজন শিক্ষার্থীকে সাফল্যের মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছে।
শিল্পকলার এই ধারাবাহিক চর্চা থেকে ইতোমধ্যে আরও অনেক রিজু বিশ্বাস উঠে আসছে। যারা নিজেদের মেধা, পরিশ্রম ও সংস্কৃতির চর্চার মাধ্যমে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
রিজুর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়। এটি মুকসুদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্যও গর্ব ও সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল বার্তা।
কালের সমাজ/কে.পি

