ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

৩০ হাজার টাকা ঘুষের অভিযোগ ঘিরে সরাইল থানায় ওসি-মনজুর কাদের বিরুদ্ধে

জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া | অক্টোবর ২৩, ২০২৬, ০৮:২২ পিএম ৩০ হাজার টাকা ঘুষের অভিযোগ ঘিরে সরাইল থানায় ওসি-মনজুর কাদের বিরুদ্ধে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে থানার ওসির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওসিকে উদ্দেশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনি আওয়ামী লীগের চোর।’ ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা না পাওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে রাতে সরাইল থানায় যান রুমিন ফারহানা। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি ওসির বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া।
ঘুষের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওসি দাবি করেন, অভিযোগকারীকে শিখিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে, রুমিন ফারহানা ওসির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে, ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার অভিযোগ, সংসদ সদস্য শত শত লোক নিয়ে থানায় গিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাটি সামনে আসার পর ওসির বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং পুলিশের পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরির কারণ নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ কিংবা তদন্তের ফলাফল পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি

কালের সমাজ/কে.পি

গ্রাম-গঞ্জ বিভাগের আরো খবর

Link copied!