- ১৬ ঘণ্টার চেষ্টায় সম্পূর্ণ নিভলো কড়াইল বস্তির আগুন
- দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পুড়ে গেছে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ঘরবাড়ি
- ঘরপোড়া মানুষের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ
- ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার
- বস্তিতে হাইটেক পার্ক ইস্যুতে জবাব দিলেন ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব
রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে লাগা আগুন ১৬ ঘণ্টা পর সম্পূর্ণ নিভিয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর। গতকাল বুধবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নেভানোর কথা জানায় সংস্থাটি।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কড়াইল বস্তির আগুন নির্বাপণ সম্পন্ন হয়েছে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায়। আগুনে কোনও হতাহত নেই। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। অপরদিকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীর রাত কেটেছে টিঅ্যান্ডটি মাঠ, খামারবাড়ি মাঠে।
এদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভয়াবহ এ অগ্নিকা-ে বিপুলসংখ্যক ঘর-বাড়ি পুড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় অসংখ্য পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়াকে ‘সকলের জন্য বেদনাদায়ক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, কড়াইল বস্তির অগ্নিকা-ে যেসব পরিবার গৃহহীন হয়েছেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাদের সকলের জন্য বেদনার। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অগ্নিকা-ের কারণ অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এদিকে, ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তি। আগুনে ঘরপোড়া মানুষের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ। সব হারিয়ে নিঃস্ব বস্তিবাসী। কেউ আশ্রয় নিয়েছেন খোলা মাঠে, কেউ বা ধ্বংসস্তুপের সামনে নির্বাক চেয়ে আছেন। কেউ আবার ধ্বংসস্তূপে খুঁজছেন বেঁচে থাকার শেষ আশা। খাবার পানিটুকুর জন্যেও তাদের চেয়ে থাকতে হচ্ছে অন্যের দিকে। ঘটনাস্থলে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য-পানিসহ প্রয়োজীন সামগ্রী দিচ্ছেন অনেকে।
গতকাল বুধবার সরেজমিন জান গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা মুরশিদ মিয়া বসে ছিলেন অগ্নিকা- শুরুর স্থানের পাশে তার ছেলে আল আমিনের কাপড়ের দোকানে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের জন্য মসজিদে যাই ওজু করতে। সেখান থেকেই ব্কিট শব্দ শুনে দৌড়ে এসে দেখি আগুন লেগেছে। পরে দ্রুত ছেলে ও নিজে বের হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাই।
তিনি বলেন, আগুন লাগে গুদারাঘাটের কবরস্থান রোডের মিন্টু মিয়ার বাড়ি থেকে। বাড়ির রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ ছিদ্র হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
গুদারাঘাটের অপর কাপড়ের দোকানি মো. রাসেল জানান, আগুন লাগার সময় তিনি দোকানে ছিলেন। হঠাৎ দেখেন মিন্টু মিয়ার বাড়িতে আগুন লেগেছে। নেভানোর জন্য বাসার লোকজন পানি ছিটানো শুরু করে। কিন্তু আগুন দ্রুতই ছড়িয়ে পরে।
এ বিষরয় জানতে মিন্টু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মেয়ে শিউলিকে দেখা যায়। তার পাশেই কান্নারত ছিল তার ব্নে।
শিউলি বলেন, আগুনের পর থেকে আমার মা নিখোঁজ। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাবা (মিন্টা মিয়া) মাকে খোঁজায় ব্যস্ত।
শিউলি বলেন, এখানে আমাদের ২০টির মতো ঘর ছিল। দুটিতে আমরা থাকতাম। বাকিগুলো ভাড়া দেওয়া ছিল। গতকাল বিকালে মা বাসায় ছিলেন। হঠাৎ তিনি আগুন দেখতে পান। পরে বাসায় থাকা ছোট দুই ভাগনিকে বোনের হাতে দিয়ে দ্রুত বের হতে বলেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে তিনি আবারও ঘেরে প্রবেশ করেন। এরপর থেকেই তার খোঁজ পাচ্ছি না। শিউলি বনানীর একটি বায়িং হাউসে চাকরি করেন বলে জানান।

মো. গিয়াস উদ্দিন। পেশায় গাড়ি চালক। কাজ করেন বনানী এলাকায়। কড়াইল বস্তিতে তার ছিল ১১টি ঘর। মঙ্গলবারের আগুনে সেগুলো পুড়ে গেছে। গিয়াস উদ্দিন জানান, ১৯৯৯ সাল থেকে দখলসূত্রে তিনি এক টুকরো জমি নেন। এরপর সেখানে টিনসেডের ১১টি ঘর ও একটি দোকান করেন। ঘরগুলো ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা করে ভাড়া দেওয়া ছিল। আর ফার্মেসির দোকানটি থেকে পেতেন ৪ হাজার ৫০০ টাকা। ঘরগুলোর মধ্যে নিজে থাকতেন দুটি রুমে। বাকিগুলো ভাড়া দেওয়া ছিল। ভাড়ার টাকা ও নিজের চাকরির আয় দিয়ে পরিবার নিয়ে ভালোই চলছিল তার। কিন্তু গতকালকের আগুন সব শেষ হয়ে গেছে। একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, এই ঘরগুলো আবারও তৈরি করতে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা লাগবে। এত টাকা এখন কোথায় পাবো।
তিনি আরও বলেন, এর আগেও দুবার বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হই। এই নিয়ে তিনবার হলাম। প্রথমবার ২০০৪ সালে। দ্বিতীয়বার ২০১৭ সালে। আর এবার লাগলো। প্রথমবার প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম কম থাকায় ঘর তুলতে খচর কম হয়েছিল। দ্বিতীয়বারের আগুনে ১৫-১৬ লাখ টাকা খরচ হয়। ঋণ করতে হয় বেশ কিছু টাকা। আর এবার অনেক খরচ হবে।
কড়াইল বস্তির বউবাজার ইউনিটে একটি ছোট রুম নিয়ে থাকতেন মিনা আক্তার। তিনি তেজগাঁও এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের ক্লিনার হিসেবে চাকরি করেন। আট হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন মিনা। এই আয় দিয়েই ঘর ভাড়া, ছেলেকে পড়ানোর খরচ এবং অন্যান্য দৈনন্দিন খরচ মেটান তিনি। আগুনে তার বাসার সব কিছুই পুড়ে গেছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিনা বলেন, আমি বস্তির দোতালায় একটি ছোট রুম নিয়ে থাকতাম। ভাড়া দিতাম ৩ হাজার ২০০ টাকা। ঘরে দামি কিছু না থাকলেও একজোড়া কানের দুল ছিল। তাও পুড়ে গেছে।
মিনা জানান, তার একটি ছেলে সন্তান আছে। ১১ বছর বয়সী ছেলে বিমানবন্দর এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়ছে। ছেলের বয়স যখন ১১ মাস, তখন তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে ছেলেকে নিয়ে এই বস্তিতেই থাকেন। নিজের ছেলের পুড়ে যাওয়া কাপড় দেখিয়ে মিনা বলেন, আমার ছেলের পরনের কাপড় ও নিজের কাপড় সব পুড়ে গেছে। যা পড়ে আছি তাই আমার বর্তমান সম্বল।
কড়াইল বস্তিতে লাগা আগুনে পুড়ে গেছে বস্তির অন্তত ১ হাজার ৫০০ ঘর। সেই সঙ্গে পুড়েছে ঘরে থাকা টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রীও। ক্ষতিগ্রস্তত হয়েছেন অনেক বস্তিবাসী। বস্তির পুড়ে যাওয়া অংশগুলোতে মূল্যবান সামগ্রী খুঁজতে দেখা যায় তিন-চার কিশোরকে। তারা জানায়, যে জায়গায় তারা খোঁজাখুঁজি করছে, সেই স্থানেই ছিল তাদের ঘর। আগুনে তাদের ঘরে থাকা টাকাসহ সব কিছুই পুড়ে গেছে।

তারা আরও জানায়, আগুন নেভানোর পর বুধবার সকাল থেকে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার এবং রূপার তৈরি জিনিস খেঁজা শুরু করা হয়। টাকাগুলো পুড়ে গেছে। তবে রূপার কিছু অংশ পাওয়া গেছে।
একইভাবে বস্তির অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদেরও তাদের ঘরে থাকা টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী খুঁজতে দেখা যায়। তবে তারা কিছুই পাননি। টাকা পেলেও সেগুলো পুড়ে গেছে।
বস্তির বাসিন্দা মনিরা আক্তার বলেন, তিনি গুলশানের নিকেতনে বাসাবাড়িতে কাজ করেন। তার স্বামী রিকশাচালক। এই বস্তিতে ১৮ বছর ধরে থাকেন। তিল তিল করে ঘরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গড়েছিলেন। কিন্তু আগুন সব শেষ করে দিয়েছে। মনিরা বলেন, ঘরে নগদ ৪৫ হাজার টাকা ছিল। সব পুড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকাল ৫টা ২২ মিনিটে কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। একে একে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট গিয়ে পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আজ সকাল সাড়ে ৯টায় ১৬ ঘণ্টা পর আগুন সম্পূর্ণ নেভানোর কথা জানায় স্থংস্থাটি। আগুনে ১ হাজার ৫০০ ঘর পুড়ে গেছে।
বস্তিতে হাইটেক পার্ক নিয়ে বক্তব্য, জবাব দিলেন ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব
রাজধানীর কড়াইল বস্তির জায়গায় যে-কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুনের পর আইটি খাতের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা সৈয়দ আলমাস কাবীরের একটি বক্তব্য নিয়ে প্রকাশিত নিউজ ভাইরাল হয়। সেখানে আলমাস কবীর কড়াইল বস্তিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণ প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন।
আগুনের একদিন পর আলমাস কবীরের ওই বক্তব্য নিয়ে জবাব দেন ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, কড়াইল বস্তিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণ সংক্রান্ত একটি অনভিপ্রেত প্রস্তাব আমাদের নজরে এসেছে। হাজার হাজার মানুষ যখন অসহায় ও গৃহহীন, তখন এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকতে সফটওয়্যার খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানাই। আলমাস কবির আগেও এ ধরনের প্রস্তাবনা মৌখিক ও লিখিতভাবে দিয়ে আসছেন। সঙ্গতকারণেই সরকার উনার প্রস্তাবনা আমলে নেয়নি।
বর্তমানে কড়াইল বস্তির জায়গায় যে-কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব আরও লিখেছেন, এ প্রেক্ষিতে কিছু কথা শেয়ার করা দরকার বলে মনে করছি। কড়াইল বস্তির প্রায় ৪৩ একর জায়গা বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের। হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কখনোই এই জায়গা বুঝে পায়নি। অতীতে জায়গাটির মালিকানা ছিল টিএন্ডটি (বর্তমান বিটিসিএল)। এখানে আদালতের মামলা রয়েছে, মামলা নিষ্পত্তি হয়নি বলে আইসিটি সেখানে এমনি দখলে যাবার চেষ্টাও করেনি।

আপনারা জানেন, কারওয়ান বাজারে জনতা টাওয়ারে একটি সফটওয়্যার পার্ক ছিল যেখানে শ’ খানেক আইটি কোম্পানি ফ্লোর স্পেস ভাড়া নিয়েছিল, মূলত আইটি অফিস চালাচ্ছিল (রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরের কিছু কোম্পানিও ছিল)। কিন্তু ভবনটির অবস্থা এতই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে এর জরুরি মেরামতের দরকার পড়ে, এতে করে সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোকে আপাতত সরিয়ে মেরামত কাজ শুরু করতে হয়েছে। তখন সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প খোঁজার উদ্যোগ নেই। আমরা কারওয়ান বাজারে সফটওয়্যার পার্ক তৈরির জন্য নতুন একটি ভবন নির্মাণ করছি।
গত বছরের শেষের দিকে এ জায়গার বনানী কর্নারের যে অংশে কোনো স্লাম (বস্তি) নাই, তার ছোট অংশে একটি সফটওয়্যার পার্ক ভবন নির্মাণের একটি কথা উঠেছিল। এর প্রেক্ষিতে আমরা কয়েকজন মানবাধিকার কর্মীর সঙ্গে আলাপ করি। ওনাদের পরামর্শ মতে কড়াইল বস্তিতে যে-কোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে আইসিটি বিভাগ বিরত থাকে।
আমরা সুস্পষ্টভাবে জানাতে চাই, বর্তমানে কড়াইল বস্তিতে যে-কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই। বরং আমরা গণপূর্ত এবং রাজউককে আলাদা আলাদাভাবে চিঠি পাঠিয়েছি যাতে সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণের জন্য ঢাকার আগারগাঁও। পূর্বাচল কিংবা অন্যান্য এলাকায় জমি প্রদান করা হয়। সে মতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে আগারগাঁও একটি প্লট বরাদ্দ নিয়ে এখন পেপারওয়ার্ক আগাচ্ছে। এ প্লটে সফটওয়্যার পার্ক, হাইটেক পার্ক এর হেড অফিসসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সবুজ পাতা একটি প্রকল্প উঠানো হচ্ছে।
অর্থাৎ কড়াইল বস্তিতে অবকাঠামো সম্প্রসারণ এর যে কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই, চলমান কোনো প্রকল্পও নাই, এমনকি সবুজ পাতায়ও কোনো প্রস্তাবনা নাই। সরকারের পরিকল্পনার সঙ্গে আদৌ সংশ্লিষ্ট নয়, এমন বক্তব্য প্রদানে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই। বিশেষভাবে হাজার হাজার মানুষ যখন আগুনে বিপর্যস্ত হয়ে নিরাপত্তাহীন অসহায় পরিস্থিতিতে রয়েছে, তখন হাইটেক পার্ক স্থাপনের আজগুবি বিষয় সামনে এনে সরকারকে বিব্রতকরার এমন অপচেষ্টার নিন্দা জানাই।
কালের সমাজ/এসআর


আপনার মতামত লিখুন :