টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়া গ্রামে মাঠে শাক তুলতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ময়ুরী(১৫) নামে এক কিশোরী।
রোববার (২৩ নভেম্বর) দুপুর ২টার পরে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নে ঘড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক মানিক(৪০) পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ঘড়িয়া গ্রামের আজিজের ছেলে মানিক একই গ্রামের মনসুরের মেয়ে ময়ুরীকে পরিত্যক্ত মেশিন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ভুক্তভোগী কিশোরীকে নিয়ে তার মা ধর্ষক মানিক এর বাড়ি গেলে মা ও মেয়ে কে ধর্ষক মানিক ও তার ছেলে তাদের মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
ধর্ষনের শিকার মেয়েটির মা অভিযোগ করে বলেন আমার মেয়ে স্কুল থেকে এসে রাতে কি দিয়ে ভাত খাবে সে জন্য শাক তুলতে ক্ষেতের যায়,পাশেই শ্যালো মেশিন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করেন।মেয়েটির মা আরো অভিযোগ করেন আমার শ্বামী একজন পুঙ্গ মানুষ, গাড়ি এক্সিডেন্ট করে দীর্ঘ দিন ধরে ঘরে পড়া, আমি একজন অসহায় গরিব মানুষ,আমি একজন নিঃশ্ব মানুষ। এলাকা বাসীর থেকে খোজ নিয়ে জানা যায় মেয়েরা অতন্ত্য গরীব ও অসহায়।
ঘটনার পর কিশোরীকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরিক্ষার জন টাংগাইল মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কালিহাতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষা করতে টাঙ্গাইল মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত মানিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুতই গ্রেফতার হবে বলে আশা করি।
স্থানীয়রা এ ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছে।
কালের সমাজ/ সাএ


আপনার মতামত লিখুন :