ভোলার তজুমদ্দিনে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী হিন্দু নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) বিশেষ নির্দেশনায় তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় -
গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী বাড়ি ফিরছিলেন। পথে অভিযুক্তরা তাঁকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে গুরুতর অবস্থায় শশীগঞ্জ এলাকার একটি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৩।
ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছারের নির্দেশে অভিযানে নামে পুলিশের একাধিক টিম। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ইব্রাহিমের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
প্রদান আসামিসহ তিন আসামিকে ধরতে সমর্থ্যক হন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন :মো. রাকিব (৩০) মো. জুয়েল (৩৫) ও আল আমিন সম্রাট (২০) পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার আজ দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেন, “নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। গ্রেফতারকৃত আসামিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :