স্মৃতি, বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়াইল হোসাইনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৭ ব্যাচের উদ্যোগে এক আনন্দঘন ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩১ মে) দুপুরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে মিলিত হন ১৯৯৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়।
পরে প্রয়াত সহপাঠীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ ব্যাচের যে আটজন সহপাঠী ইতোমধ্যে ইন্তেকাল করেছেন, তারা হলেন সানাউল্লাহ, রশিদা বেগম, নিজামুল হক, হারুনুর রশিদ, মোকাররম হোসেন, বাইজিদ, সাবিনা আক্তার ও রেজাউল হক বুলু। তাদের স্মরণে অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরে অতিথি বরণ, শুভেচ্ছা বক্তব্য, সহপাঠীদের মতবিনিময়, স্মৃতিচারণ, মধ্যাহ্নভোজ, র্যাফেল ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বহু বছর পর একত্রিত হয়ে সহপাঠীরা স্কুলজীবনের স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং একে অপরের খোঁজখবর বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলেন, বড়াইল হোসাইনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৭ ব্যাচ শুধু একটি শিক্ষাবর্ষের নাম নয়, এটি বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, ঐক্য ও আজীবনের সম্পর্কের প্রতীক। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও বিদেশে অবস্থানরত ব্যাচের সদস্যরা এই পুনর্মিলনীর মাধ্যমে আবারও একত্রিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলেও তারা জানান।
অনুষ্ঠান সফল করতে ইউসুফ ব্যাংকার, জহির, রশিদ, নাছির, রিমন, জাহাঙ্গীর, সুরমা, লায়লা, লিপি, শান্তা, পুষ্প, রোহান, মোজাম্মেল, সুমন, আলী ইমাম ও মোয়াজ্জেমসহ ব্যাচের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
ভবিষ্যতেও এ ধরনের মিলনমেলার আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত পুনর্মিলনী শেষে সবার সুখ, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া করা হয়
কালের সমাজ/কে.পি

