পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুই দিন বাকী। আমতলীর ৮ টি বাজারে গরু এবং ক্রেতা বেশী। ছোট ও মাঝারি ধরনের গরুর ক্রেতা বেশী থাকলেও বড় গরুর ক্রেতা কম। তুলনামুলকভাবে দাম ভালো। আমতলী প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় কোরবানীর জন্য ৮ হাজার ৮’শ ১৩ টি গবাদি পশুর চাহিদা রয়েছে।
চাহিদার বিপরীতে এ উপজেলার ৯ হাজার ৭০ টি পশু রয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯’শ ১২ টি গরু, ৫৯৫ টি মহিষ,২ হাজার ৫ টি ৬৩ টি ছাগল । চাহিদার তুলনায় ২’শ৫৭ টি পশু বেশী রয়েছে। শেষ সময়ে আমতলীর বাজার গুলো গরুতে সয়লাব কিন্তু ক্রেতা বেশী। ছোট ও মাঝারী গরুর কিছু ক্রেতা থাকলেও বড় গরুর ক্রেতা কম।
সোমবার আমতলীর গরুর হাটগুলো ঘুরে দেখাগেছে ছোট ও মাঝারী গরু ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। বড় গরুর ক্রেতা কম। কাউনিয়া গ্রামের ফেরদাউস আলম রাসেল ও রাকিবুল ইসলাম বলেন, মাজারী ধরনের একটি গরু ৬৫ হাজার টাকায় ক্রয় করেছি। গরুর দাম গত বছরের তুলনায় বেশী। চুনাখালী গ্রামের তাওহিদুল ইসলাম কাশমীর বলেন, এ বছর চুনাখালী হাট থেকে ৯০ হাজার টাকায় একটি ষাড় গরু ক্রয় করেছি।
তুলনামুলকভাবে গরুর দাম একটু বেশী। ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান বলেন, এ বছর গরুর চাহিদা বেশ। কোরবানী উপযোগী ১৫০ টি গরু বিক্রি করেছি। লাভও ভালো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর গরু প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে। আমতলী গরু হাটের পরিচালক নিয়াদ মোর্শ্বেদ ইমন বলেন, বাজারে গরুর চাহিদা কম হলেও ও দাম ভালো। গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশী দামে গরু বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, দেশী গরুর চাহিদা বেশী। ভারতীয় গরু বাজারে আসলেও তার তেমন চাহিদা নেই। আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, ক্রেতা- বিক্রেতা যাতে গরু ক্রয় করে নির্বিঘ্নে বাড়ী যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক গরুর হাটে পুলিশ মোতায়েন আছে
কালের সমাজ/কে.পি

