ঢাকা মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঝালকাঠিতে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে দেড় হাজার গাছের চারা বিতরণ

জেলা প্রতিনিধি,ঝালকাঠি | আগস্ট ৪, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম ঝালকাঠিতে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে দেড় হাজার গাছের চারা বিতরণ

গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ঘোষিত 
দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫০০ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঝালকাঠি জেলা পরিষদ এ উদ্যোগ গ্রহণ করে।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার ৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে এসব চারা তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০টি করে বিভিন্ন প্রজাতির চারা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান শাহারিয়ার,ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান তাপু, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আক্কাস সিকদার, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম জুবায়ের, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দীপু, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রনি এবং জেলা যুবদলের সদস্য ইয়াসির আরাফাত মিঠুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, "বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, এটি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে। প্রতিটি মানুষ যদি অন্তত একটি গাছ রোপণ করে এবং তার পরিচর্যা করে, তাহলে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।"

তিনি আরও বলেন, "পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি কেবল একটি পরিবেশগত উদ্যোগ নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। এর মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।"

তিনি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি বিতরণ করা চারাগুলো সঠিকভাবে রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আজকের একটি গাছ আগামী দিনের জন্য অক্সিজেন, ছায়া ও খাদ্যের উৎস হয়ে উঠবে। তাই বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।"

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

কালের সমাজ/কে.পি

Link copied!