ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

ডা. টিপুর উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে মান্দার উন্নয়নচিত্র, অনুমোদন ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার প্রকল্প

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম ডা. টিপুর উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে মান্দার উন্নয়নচিত্র, অনুমোদন ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার প্রকল্প

দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ঘাটতি কাটিয়ে নওগাঁর মান্দায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হচ্ছে। সড়ক, সরকারি অবকাঠামো ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে মোট ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার ৯২৮ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর উদ্যোগ ও ধারাবাহিক তৎপরতায় এসব প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। একসঙ্গে একাধিক প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
 

জেলা পরিষদের আওতায় সবচেয়ে বড় প্রকল্প হিসেবে মান্দা ডাকবাংলো পুনর্নির্মাণে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার ৯২৮ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ডাকবাংলোটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজন থাকায় পুনর্নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে আগতদের জন্য সুবিধা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জিএসআইডি-২ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৬টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৩ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মসজিদ, মন্দির ও ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সব মিলিয়ে ডাকবাংলো পুনর্নির্মাণ ও ১৬টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে মোট ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার ৯২৮ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, “পিছিয়ে পড়া মান্দাকে এগিয়ে নিতে সবার সার্বিক সহযোগিতা চাই। যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি তা পূরণ করতে চাই। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে চাই।” স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে মান্দার সরকারি অবকাঠামো ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে ডাকবাংলো পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রয়োজন পূরণে ভূমিকা রাখবে।
 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে অনুমোদিত প্রাক্কলন মাঠপর্যায়ে পুনরায় যাচাই এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনের শর্ত রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

কালের সমাজ/কে.পি
 

Link copied!