কালের অবিরাম যাত্রায় তারুণ্যের স্বপ্নগুলো যখন নতুন পথ খোঁজে, ঠিক তখনই এক আশার প্রদীপ জ্বেলে ‘দৈনিক কালের সমাজ’ পত্রিকা নিয়ে আসছে তাদের নিয়মিত আয়োজন— ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’। আর এই নবযাত্রার কান্ডারি হিসেবে পর্দায় আসছেন এমন একজন, যাঁর কলম ও কণ্ঠ এরই মধ্যে সংবাদমাধ্যমের মাঠে-ঘাটে পরীক্ষিত; তিনি মোঃ ইসমাইল হোসেন। উপস্থাপক হিসেবে ক্যামেরার প্রদীপ্ত আলোয় আসার পূর্বেই ইসমাইল হোসেন নিজেকে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন একজন নিবেদিতপ্রাণ তরুন সংবাদকর্মী হিসেবে। এসএ টিভি, মানবজীবন, নয়াদিগন্ত, ভোরের পাতা কিংবা ভিওডি বাংলার মতো দেশের স্বনামধন্য জাতীয় গণমাধ্যমগুলোর রিপোর্টিং শাখায় তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন খবরের সন্ধানে, কাজ করেছেন আপন সুনামের দীপ্তি ছড়িয়ে। রাজপথ থেকে প্রান্তরের সেই অমূল্য অভিজ্ঞতাই যেন এবার পূর্ণতা পেতে চলেছে এক নতুন আঙ্গিকে। সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এক অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় ইসমাইল হোসেন মেলে ধরেন তাঁর এই নতুন যাত্রার অন্তর্নিহিত দর্শন। তাঁর কণ্ঠে ছিল এক দৃঢ় প্রত্যয়, যেন তিনি দেখতে পাচ্ছেন আগামীর এক উজ্জ্বল ছবি। তিনি বলেন, তরুণরা এই দেশটাকে ঠিক কেমন দেখতে চায়, তাদের হৃদয়ের গহিনে কী স্বপ্ন লুকিয়ে আছে— তা তুলে ধরাই ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
তাঁর ঐকান্তিক বিশ্বাস, এই আয়োজন নিছক একটি গতানুগতিক অনুষ্ঠান হয়েই থাকবে না, বরং এটি হয়ে উঠবে দেশের আপামর দর্শক-নন্দিত এক অনন্য মঞ্চ। যেখানে দাঁড়িয়ে এ দেশের তরুণ সমাজ নির্ভয়ে মেলে ধরতে পারবে তাদের দেশভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
পরিশেষে একবুক আশা আর বিনয় নিয়ে এই অভিজ্ঞ তরুন সাংবাদিক দেশবাসীর কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সবাই আমার ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’ টিমের জন্য দোয়া করবেন, আমরা যেন আপনাদের জন্য সুন্দর ও অর্থবহ সব পর্ব উপহার দিতে পারি। ইসমাইল হোসেনের অভিজ্ঞ হাত ধরে তারুণ্যের এই নতুন অধ্যায় যেন সত্যিই এক জাগরণী গান হয়ে ওঠে, এখন কেবল তারই অপেক্ষা।
কালের সমাজ/কে.পি

