ফরিদপুরের সালথায় ওয়ারেন্টভুক্ত এক নারীকে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ দাবি ও নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে ভয়ভীতি দেখানোর পর তার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৯২ হাজার টাকা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বড়দিয়া স্বরপদিয়া গ্রামে।
ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জোসনা বেগমের বাড়িতে যান সালথা থানার এএসআই মুকুলসহ পুলিশ সদস্যরা।
জোসনা বেগম ও তার পরিবারের অভিযোগ, বাড়িটিতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে এএসআই মুকুল সেখানে উপস্থিত নারীদের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ ও ভীতিকর ভাষায় কথা বলেন।
জোসনা বেগম বলেন, " ঘটনাস্থলে এএসআই মুকুল মোবাইল ফোনে সালথা থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়।
দাবি করা টাকা না দিলে আমাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হবে এবং অন্য মামলায় চালান দেওয়া হবে বলেও ভয় দেখানো হয়।
এতে আতঙ্কিত হয়ে আমি দ্রুত টাকা জোগাড় করি এবং এএসআই মুকুলের হাতে ৯২ হাজার টাকা দেই।
এএসআই মুকুল বলেন, " গ্রেফতারী পরওয়ানা নিয়ে আসামীর বাড়িতে যাই । আসামীকে বাড়িতে না পাওয়ায় সেখান থেকে চলে আসি।টাকা নেওয়ার বিষয় তিনি বলেন আমি কোন টাকা নেইনি।
তবে এএসআই মুকুল একটি অডিও সাক্ষাৎকারে তিনি উর্ধতন কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে আসামীর নিকট থেকে ৪৮ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে নিজেই শিকার করেন। এছাড়া তিনি আরও বলেন যে কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে তাহলে বলবেন আমি আসামীকে বাড়িতে পাইনি।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, ` এবিষয় আমার জানা নেই। এখন জানতে পারলাম তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জোসনা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা।
কালের সমাজ/কে.পি

