‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর ভবিতব্য অবশেষে নির্ধারিত। বিস্তর টালবাহানার পর ধারাবাহিক ছেড়ে দিলেন দিতিপ্রিয়া রায়। নায়ক-নায়িকার দ্বন্দ্ব এত দূর গড়াবে, কেউ ভাবেননি; এমনটাই জানিয়েছে কলকাতার আর্টিস্ট ফোরাম। খবর আনন্দবাজারের।
দফায় দফায় জীতু কমল-দিতিপ্রিয়ার মধ্যে কলহ। দফায় দফায় তার রফাসূত্র খুঁজতে বৈঠক। প্রযোজনা সংস্থা, চ্যানেল কর্তৃপক্ষ বার বার মীমাংসার চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না! দ্বিতীয় দফায় অশান্তির শুরু থেকেই টেলিপাড়ায় গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, হয় জীতু নয় দিতিপ্রিয়া ধারাবাহিক ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চাইছেন।

সেই গুঞ্জন সত্যি করে সোমবার আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে কোষাধ্যক্ষ সোহন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রোববারও যখন দিতিপ্রিয়া তার সিদ্ধান্তের কথা জানাননি, তখনও আশা করেছিলাম ইতিবাচক কিছু হলেও হতে পারে। কিন্তু সেটা হয়নি। সোমবার দিতিপ্রিয়া ইন্ডাস্ট্রির নিয়ম মেনে লিখিত ‘এনওসি’ বা অনাপত্তিপত্র দিয়ে ধারাবাহিক ছেড়ে দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে জানান। আর্টিস্ট ফোরাম যদিও প্রযোজনা সংস্থাকে আবেদন জানিয়েছে, ধারাবাহিক যেন কোনোভাবে বন্ধ না হয়। কারণ, এর সঙ্গে অনেক মানুষের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে।
সোহন জানান, যখনই নায়ক-নায়িকার মনোমালিন্যের কথা প্রকাশ্যে এসেছে তখনই সমাজমাধ্যমে জীতুর অনুরাগীরা নায়িকাকে কটাক্ষে বিঁধেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে একই ঘটনা ঘটায় মানসিক দিক থেকে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। অভিনয় করতে পারছেন না। সেই কারণেই ধারাবাহিক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এসভিএফ প্রযোজনা সংস্থার এই ধারাবাহিক দিয়ে অনেক দিন পরে ছোটপর্দায় একসঙ্গে ফিরেছিলেন জীতু-দিতিপ্রিয়া। তাদের রসায়ন কতটা জমবে? তাই নিয়ে শুরুতে চর্চা হলেও উভয়ের অভিনয় সেই চর্চায় জল ঢেলে দিয়েছিল। দ্রুত ধারাবাহিকটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। নায়ক-নায়িকার রসায়ন দর্শককে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ দেখতে আগ্রহী করে তোলে। তাতে বিরাট ছন্দপতন ঘটল।
কালের সমাজ/এসআর


আপনার মতামত লিখুন :