ঢাকা সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন

কালের সমাজ ডেস্ক | জুলাই ২৭, ২০২৬, ১২:০০ পিএম শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন
সংগৃহীত ছবি

২০২৭ সালের হজে যেতে আগ্রহীদের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম আজ সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় এই নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত হজ রোডম্যাপ অনুসারে এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-হজ সিস্টেমের মাধ্যমে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে। হজে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীর পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৈধ থাকতে হবে।

এছাড়া প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং পছন্দের হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।

নিবন্ধনের আগে প্রত্যেক হজযাত্রীকে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হজ প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে আগ্রহীরা ই-হজ সিস্টেমে নিজস্ব ইউজার আইডি তৈরি করে সরাসরি নিবন্ধন করতে পারবেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

অর্থ জমার ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনকারীদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে হবে। অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

এদিকে, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে গুরুতর হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, স্নায়বিক বা মানসিক রোগী, ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি এবং কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণরত ক্যান্সার রোগীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

এছাড়া যক্ষ্মা, হেমোরেজিক ফিভারসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে যেতে পারবেন না। পাশাপাশি গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীরা হজযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় ফিটনেস সনদ পাবেন না।
কালের সমাজ/এএইচবি 

Link copied!