নিরাপত্তা শঙ্কায় গুমের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে কারাগারে রেখেই আজ থেকে ভার্চ্যুয়ালি বিচার কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম।
এর আগে, একক প্রিজন ভ্যানে আনা হলে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে কারাগারে রেখেই ভার্চুয়ালি বিচার পরিচালনার মতামত দেয় প্রসিকিউশন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
এ মামলায় এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৫ জন। তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণও শেষ হয়েছে। ফলে এখন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করবেন।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানান, জিয়াউল আহসানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তারা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, যেহেতু উনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, তাই তাকে ট্রাইবুনালে না এনে বাংলাদেশে প্রচলিত যে আইন আছে সেই আইনের অধীনে ভার্চুয়ালি মামলা পরিচলনার সিদ্ধান্ত দিযেছেন ট্রাইব্যুনাল।
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শতাধিক গুম ও খুনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। একই দিন তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে প্রসিকিউশন।
কালের সমাজ/এসআর

