ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে নীলফামারীর সৈয়দপুরে দুটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ৫৩০০ দুস্থ মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ করেছে। এসব এনজিও হলো ইউএসএ`র ফ্রেন্ডস অফ হিউম্যানেটি ও সিপিইউ ফাউন্ডেশন।
ফো স্কুল প্রকল্পের অধীনে আটকে পড়া পাকিস্তানি ক্যাম্পে বসবাসরত ফ্রেন্ডস অফ হিউম্যানটি স্কুলে অধ্যায়নকারি গরিব শিক্ষার্থীদের মাঝে মাংস বিতরণ করা হয়। শিশু শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া সুবিধা বঞ্চিত পরিবারের শিশুরাই এই মাংসের হকদার হন।
প্রকল্প সমন্বয়ক আঃ লতিফ বলেন, তাদের সংস্থার পরিচালিত ৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে।
এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কর্মচারীর সংখ্যা এক হাজার ৩০০।
এদের প্রত্যেকে এক কেজি ২০০ গ্রাম করে গরু ও খাসির মাংস দেয়া হয় শহরের গোলাহাট এলাকা থেকে। এজন্য ২৩ টি গরু এবং ৩৩ টি খাসি কুরবানী দেয়া হয়েছে।
এ প্রতিষ্ঠানের মাংস বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডস অফ হিউম্যানটির কান্ট্রি ডিরেক্টর সৈয়দ ওসামা জামাল। লোকাল এনজিও হীড`র চেয়ারম্যান এমএ বারী, সহসভাপতি এমএ আউয়াল, অর্থ সম্পাদক ওয়াকিল আহমেদ মুন্নাসহ স্কুলে কর্মরত সকল শিক্ষক ও কর্মচারী।
একই দিনে সিপিইউ ফাউন্ডেশন চার হাজার দুস্থ পরিবারের মাঝে এক কেজি করে মাংস বিতরণ করে শহরের আলম প্রেসলেন এলাকা থেকে।
ওবাট কানাডার অর্থায়নে তারা এই কর্মসুচী পালন করেছে।
তবে, অভিযোগ রয়েছে, সিপিইউ ফাউন্ডেশনের পরিচালক শারীরিকভাবে দুর্বল ও রোগাক্রান্ত গরু ও ছাগলের মাংস গরীবদের মাঝে বিলি করে। পশু প্রতি বরাদ্দকৃত অর্থ কাটছাঁট করতেই ওই অনিয়ম করা হয়েছে বলে শহরের একাধিক বিশিষ্টজনের মন্তব্যে জানা গেছে।
অবশ্য সিপিইউ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইরফান আজম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগক্রান্ত পশু জবাই করা হয়নি। শরিয়া মতে পশু ক্রয় করে কোরবানি দেয়া হয়েছে।
কালের সমাজ/কে.পি

