বিয়ের প্ররোচনা দিয়ে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় কথিত প্রেমিক নামীন আশরাফ মনিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এ ভিকটিমের বড় বোন রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মামলার অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন-মো. আশরাফউদ্দিন সোহেল ও মোসা. শাহনাজ বেগম। বাদী পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার আরজি থেকে জানা যায়, বাদীর বোন সাদিয়া ইয়াসফিয়া (২৪) মেকআপ আর্টিস্টের কাজ করতেন। অপরদিকে মূল অভিযুক্ত নামীম আশরাফ (৩৭) ফটোগ্রাফির কাজ করতেন। ২০২৪ সালের কোন এক শুটিং প্রোগ্রামে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এভাবে বিভিন্ন শুটিং প্রোগ্রামে তারা একসঙ্গে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রেমের সম্পর্ক হয়।
মামলার আরজিতে বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক বলবৎ থাকা অবস্থায় তারা বিয়ের কথাবার্তা বলেন। উভয়ের পরিবার বিষয়টি জানতো। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন সাদিয়ার বড় বোন, বড় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের গেন্ডারিয়ার ঢালকানগর গলির বাসায় যান। ওই বাসায় নামীম আশরাফের মা-বাবা বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তাদের ছেলের সঙ্গে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হবে বলে হুমকি দেন।
মামলার আর্জিতে আরো বলা হয়, ওই ঘটনার পর গত ১০ জুন নামীম আশরাফ মোহাম্মদপুর উদ্যানে সাদিয়াদের বাসায় যান। ওইদিন রাত ৮ টার দিকে বাদীর ছোট বোনকে নামীম আশরাফ ডেকে নিয়ে যান। এরপর সাদিয়া আর ফিরে আসেননি। এরপর ১৪ জুন রাজধানীর আদাবরের শেখর টেক ১২ এর কাদের পাটোয়ারীর বাসার দোতলার একটি ফ্লাট থেকে সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই বাসাটি
আসামি নামীম আশরাফের ভাড়া করা বাসা ও তার স্টুডিও।
বাদী মামলায় অভিযোগ করেছেন, তার ছোট বোন সাদিয়াকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের সময় বাদী ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নম্বর আসামির মা ও বাবাকে ঘটনাস্থলে দেখতে পেয়েছেন। মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার পর এই হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেন আসামিরা। পুলিশও তাদের সহযোগিতা করে। পরদিন পুলিশকে দিয়ে একটি এজাহার লিখিয়ে বাদীর ভাইকে দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করায়। মামলায় বলা হয়েছে, ওই মামলাটি ভিকটিমের ভাইকে ভুল বুঝিয়ে দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে মামলার বাদী রাজিয়া সুলতানা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, `আমার বোন সাদিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে এই ধরণের ঘটনা
বিয়ের প্ররোচনা দিয়ে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় কথিত প্রেমিক নামীন আশরাফ মনিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এ ভিকটিমের বড় বোন রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মামলার অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন-মো. আশরাফউদ্দিন সোহেল ও মোসা. শাহনাজ বেগম। বাদী পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার আরজি থেকে জানা যায়, বাদীর বোন সাদিয়া ইয়াসফিয়া (২৪) মেকআপ আর্টিস্টের কাজ করতেন। অপরদিকে মূল অভিযুক্ত নামীম আশরাফ (৩৭) ফটোগ্রাফির কাজ করতেন। ২০২৪ সালের কোন এক শুটিং প্রোগ্রামে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এভাবে বিভিন্ন শুটিং প্রোগ্রামে তারা একসঙ্গে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রেমের সম্পর্ক হয়।
মামলার আরজিতে বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক বলবৎ থাকা অবস্থায় তারা বিয়ের কথাবার্তা বলেন। উভয়ের পরিবার বিষয়টি জানতো। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন সাদিয়ার বড় বোন, বড় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের গেন্ডারিয়ার ঢালকানগর গলির বাসায় যান। ওই বাসায় নামীম আশরাফের মা-বাবা বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তাদের ছেলের সঙ্গে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হবে বলে হুমকি দেন।
মামলার আর্জিতে আরো বলা হয়, ওই ঘটনার পর গত ১০ জুন নামীম আশরাফ মোহাম্মদপুর উদ্যানে সাদিয়াদের বাসায় যান। ওইদিন রাত ৮ টার দিকে বাদীর ছোট বোনকে নামীম আশরাফ ডেকে নিয়ে যান। এরপর সাদিয়া আর ফিরে আসেননি। এরপর ১৪ জুন রাজধানীর আদাবরের শেখর টেক ১২ এর কাদের পাটোয়ারীর বাসার দোতলার একটি ফ্লাট থেকে সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই বাসাটি আসামি নামীম আশরাফের ভাড়া করা বাসা ও তার স্টুডিও।
বাদী মামলায় অভিযোগ করেছেন, তার ছোট বোন সাদিয়াকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের সময় বাদী ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নম্বর আসামির মা ও বাবাকে ঘটনাস্থলে দেখতে পেয়েছেন। মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার পর এই হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেন আসামিরা। পুলিশও তাদের সহযোগিতা করে। পরদিন পুলিশকে দিয়ে একটি এজাহার লিখিয়ে বাদীর ভাইকে দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করায়। মামলায় বলা হয়েছে, ওই মামলাটি ভিকটিমের ভাইকে ভুল বুঝিয়ে দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে মামলার বাদী রাজিয়া সুলতানা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, `আমার বোন সাদিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে এই ধরণের ঘটনা আর কেউ ঘটাতে সাহস না পায়।`
কালের সমাজ/কে.পি

