ঢাকা রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বান্দরবানে গ্রাউস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে বন্যার্ত ১৩৫ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

জেলা প্রতিনিধি, বান্দরবান | জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম বান্দরবানে গ্রাউস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে বন্যার্ত ১৩৫ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ  বিতরণ

বান্দরবানের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে গ্রাউস ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের চারটি পাড়া ও সদর উপজেলার চড়–ই পাড়ায় বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে বান্দরবানের জামছড়ি ইউনিয়নের ক্রাইক্ষ্যং পাড়ায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বান্দরবান ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি।

এসময় ক্রাইক্ষ্যং পাড়া, তংপ্রু পাড়া, নোয়া পাড়া ও হ্লাপাইমুখ পাড়া ও চড়–ই পাড়ার মোট ১৩৫টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ৮ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ এবং প্রয়োজনীয় হাইজিন সামগ্রী প্রদান করা হয়। আয়োজকেরা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তি পায়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সেং প্রু মার্মা, ওয়ার্ল্ড ভিশনের বাংলাদেশ স্টার্ট ফান্ড রেসপন্স ম্যানেজার মো. রুহুল আমিন, টেকনিক্যাল অফিসার মো. আব্দুল আজিজ, গ্রাউস এর চেয়ারম্যান মংথোয়াইচিং মার্মা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার টুলু মার্মা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ওয়ার্ল্ড ভিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি বলেন, দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থার এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম বন্যাকবলিত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও জীবনমান স্বাভাবিক করতে বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড ভিশন ও গ্রাউস ভবিষ্যতেও প্রয়োজনভিত্তিক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

সহায়তা পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য, এই সহায়তা দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়ক হবে।

কালের সমাজ/কে.পি

গ্রাম-গঞ্জ বিভাগের আরো খবর

Link copied!