৩১ জুলাই ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা বাজারে মারপিট ঘটনার পর তালমা গ্রামে আনোয়ার সেক ও মাহাবুব এর বাড়িত হামলা চালিয়ে ভাঙচুর লুটপাট করে।
২৯ জুলাই বুধবার আনোয়ার সেক পিতা তেজার উদ্দিন গ্রাম তালমা এর সাথে শহীদ চৌধুরী গংদের সাথে পাট কাটা জমি দখল নিয়ে থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে শালীস হয়।শালীশে জমির কাগজপত্র দেখে আনোয়ার সেক জমির পাট সহ দখল ফিরে পায়।শালীসে উপস্থিত মাহাবুব সেখ (৩৮)পিতা রিয়া শেখ
গ্রাম তালমা উপস্থিত থাকায় পরের দিন ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার সময় তালমা সীল বাড়ির ব্রীজের পাশে হারেজের দোকানের সামনে মারপিট করে শহীদ চৌধুরীর লোকজন।
এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে পরের দিন ৩১ জুলাই শুক্রবার সকাল ৭ টার সময় তালমা বাজারে রেল লাইনের পাশে কামাল এর হোটেলের সামনে চুন্নু সেখ (৫০)
পিতা তেজার উদ্দিন গ্রাম তালমা তাকে মাহাবুব মারপিট করে বলে স্হানীয় লোকজন। তার পরেই
আনোর বাড়ি ও মাহাবুব সেকের বাড়িতে শহিদ চৌধুরীর লোকজন হামলা চালিয়ে ভাঙচুর লুটপাট করে।
এইঘটনায় তালমা বাজারের খোকন চা দোকান
রহুল মাতুব্বর এর কাঁচা বাজারের দোকানে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে শহীদ চৌধুরীর লোকজন।
আনোয়ার সেক বলেন,"আমার জমির পাট কেটে নেওয়ায় থানায় অভিযোগ করি।থানা থেকে আমার পাট সহ জমি দখল বুজিয়ে দেয় শালীস পক্ষ। এছাড়া শহীদ চৌধুরী প্রভাব শালী হওয়ায় আমাদের পরিবারের লোকজন এর নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।কাল শালীসকারি মাহাবুব কে মারপিট করে শহীদ চৌধুরীর লোকজন,"।
মাহাবুব সেক বলেন,"থানায় শালীসে গিয়েছিলাম।দু`পক্ষ মিমাংসা হয়েছে। সহিদ চৌধুরী গংরা পক্ষ ভেবে আমাকে মারপিট করে। সকালে আমি তালমা বাজারে গেলে সেখানে লোকজন নিয়ে আমাকে মারার জন্য ঘিরে ফেলায় আমি জীবন রক্ষার্থে যে আমাকে মারছে তাকে আমি মেরেছি,"।
আহত চুন্রু শেখ(৫০) কে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এবিষয় শহীদ চৌধুরী বলেন আমি ঢাকায় আছি। শুনেছি এলাকায় মারপিট বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে তা ও শুনেছি।আমাকে নিয়ে মিথ্যা পোপাগন্ডা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে সেঠি সটিক না।
তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া বলেন বাজারে এসে দোকানপাট ভাংচুর লোকজনকে মারপিট বিষয়টি নিন্দনীয়। এছাড়া বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট হয়েছে শুনেছি। যারা একাজ করেছে তাদের বিচার হওয়া দরকার ।
স্হানীয় লোকজন অনেকেরই বলেন শহীদ চৌধুরী গংদের সাথে আনোয়ার সেক গংদের সাথে মামলা সহ জোগড়া ফেসাদ চলে আসছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা বারবার শহীদ চৌধুরীর দিকে আঙ্গুল তুলছেন।
কালের সমাজ/কে.পি

