কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার (১৯ আগস্ট) কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কারা অধিদপ্তরের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বনানী থানায় করা মামলায় ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পান খায়রুল হক। এর আগে পৃথক আট মামলায় জামিন পাওয়ার পর বনানী থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করতে গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ৮ জুলাই তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর বনানী থানায় করা মামলায় তাঁকে হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এরআগে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে গত সোমবার ‘নো অর্ডার’ আদেশ দেন চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক।
গত ১০ আগস্ট হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না কেন, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ খায়রুলের করা জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২ জুলাই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় খোয়াইবের মৃত্যুর ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় খায়রুলের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
পরে বনানী থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে আরও সাতটি মামলায় জামিন পান খায়রুল।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে নয়টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
কালের সমাজ/কে.পি

