আলোচনায় উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অভিবাসন এবং মানুষে মানুষে বিনিময়সহ সহযোগিতার মূল ক্ষেত্র পর্যালোচনা করেন।
এছাড়া মার্চের প্রথম দিকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী সচিব পল কাপুরের আসন্ন বাংলাদেশ সফরের বিষয়টিও আলোচনায় তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য প্রশংসা করেন এবং মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে টেকসই রাজনৈতিক সমর্থন কামনা করেন।
উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী বছরগুলোতে সব খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক ড. এস. পল কাপুর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে সিনেটের অনুমোদন পান। তিনি এ দায়িত্বে ডোনাল্ড লু’র স্থলাভিষিক্ত হন।


আপনার মতামত লিখুন :