ঢাকা বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন এহসানুল হক মিলন

নিজস্ব প্রতিবেদক | ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব  পেলেন এহসানুল হক মিলন

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান।

প্রসঙ্গত, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বিজয়ী হন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।


এর আগে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন।

পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। সেখানে নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ব্রুকলিন কলেজ ও বরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি ঔষধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন।


২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

Side banner
Link copied!