নীলফামারীতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এটি ঘটেছে নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের দীঘলডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষকের নাম মামুন-উর-রশিদ। অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতন এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা যৌথ স্বাক্ষর করে গত ৩০ জুন নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে কথা হয় একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের সঙ্গে। তারা অভিযোগ করে বলেন, নিয়মমতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পূর্বে মাইকিং, গণবিজ্ঞপ্তি ব্যাপকভাবে প্রচার করার কথা। কিন্তু সেখানে প্রধান শিক্ষক গুটি কতক অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পছন্দমত পকেট কমিটি করেছে এ বছরের ২৯ জুন। অথচ কমিটি করার কথা ছিল ২৮ জুন। এতে করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। নেই কোনো জবাবদিহিতা বা স্বচ্ছতা। এর ফলে গ্রামবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
 02 07 2026.jpg)
এতে করে আগামী দিনে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাবে। বিদ্যালয় বিমুখ হবে সুবিধা বঞ্চিত ঘরের সন্তানরা। বিদ্যালয়ের এমন পরিস্থিতিতে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত কমিটি বাতিল করে পুরোপুরি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয় ওই অভিযোগ পত্রে। অভিযোগ বিষয়ে জানতে কথা হয় প্রধান শিক্ষক মামুন-উর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার সাধ্যমত সমস্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি। এমনকি অভিভাবক সমাবেশও করেছি। এ সমাবেশে ২৪০ জন অভিভাবকের মধ্যে মাত্র ৫৮ জন উপস্থিত ছিলো। ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপেও প্রচার চালিয়েছি।
কথা হয় নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে নেয়া হবে আইনী ব্যবস্থা। (ছবি আছে)
কালের সমাজ/কে.পি

