খুলনার কয়রা উপজেলার ১২৮ নম্বর দেওড়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অভিভাবক ও কমিটির সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কমিটি গঠনে নিয়মনীতি অনুসরণ এবং সভাপতি নির্বাচনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ কামালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন অভিভাবক।
অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবুল বাশারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি নিজ এলাকায় বসবাস না করে খুলনায় বসবাস করেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে তাঁকে সভাপতি নির্বাচিত করায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।এদিকে, ম্যানেজিং কমিটির দুই সদস্য খালেদা আক্তার ও মো. কাওসার আলম মালি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁদের পদত্যাগপত্র প্রধান শিক্ষক গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কমিটির অভ্যন্তরেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে প্রথমে প্রধান শিক্ষক মাসুদ কামালের সাথে সরজমিনে কথা বললে তিনি বলেন নিয়ম কানুন মেনেই ম্যানেজিং কমিটির গঠন করা হয়েছে এটাতে আমার কোন পক্ষপাতিত্ব নেই সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিরন্ময়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তবে আমি যতটুকু জেনেছি, নিয়ম মেনেই ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ওঠা অভিযোগ, দুই সদস্যের পদত্যাগপত্র এবং অভিভাবকদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
কালের সমাজ/কে.পি

