ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি থানায় অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া | জুলাই ২২, ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি থানায়  অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনন্দ বাজার নিউ মার্কেট এলাকায় খাসির মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন এক মাংস ব্যবসায়ী।
থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আনন্দ বাজার নিউ মার্কেটের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিরাসার এলাকার বাসিন্দা ও মাংস ব্যবসায়ী কাউছার মিয়া (পিতা: নূর ইসলাম) বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারে অভিযুক্ত করা হয়েছে নাটাই (দক্ষিণপাড়া) এলাকার বাসিন্দা ছফি উল্লাহ (৫৫) ও আবদুল আউয়াল (৩০)-কে।
অভিযোগে বলা হয়, কাউছার মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে আনন্দ বাজারে খাসির মাংস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এর আগে অভিযুক্তরা ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীর দোকান থেকে প্রায় ৬৫ কেজি খাসির মাংস, যার আনুমানিক মূল্য ৭৮ হাজার টাকা, কোনো অর্থ পরিশোধ না করে নিয়ে যান। পাশাপাশি তারা নিয়মিত প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা মাসোহারা হিসেবে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন অভিযুক্তরা কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে বাজারে এসে ব্যবসায়ীদের কাছে এককালীন পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ব্যবসায়ীরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করেন এবং হামলার চেষ্টা চালান। এ সময় ব্যবসায়ীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ব্যবসায়ীদের বাজার থেকে উচ্ছেদ এবং বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাফিউল্ল্যা সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার  থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে আমার  বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগে যদি সত্যতা পায় আমাকে যে শাস্তি দেবে আমি সেই শাস্তি মেনে নেব,  

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এজাহারে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীর দাবি। বিষয়টি তদন্তের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কালের সমাজ/কে.পি

গ্রাম-গঞ্জ বিভাগের আরো খবর

Link copied!