চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় সুয়াবিল ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্তি এবং পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের কার্যক্রমে তিন মাসের জন্য স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। তবে উত্তর উপজেলার অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম যথারীতি চলবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ ফয়সাল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটকারীদের আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৮ জুলাই জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে দেশের ৫০১তম উপজেলা হিসেবে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের সিদ্ধান্ত জানানো হলে উত্তরের তিন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এর প্রতিবাদে তারা হরতাল, অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।
এ ঘটনায় উত্তরের তিন ইউনিয়নের পক্ষে শফিউল আলম এবং দক্ষিণের সুয়াবিল ইউনিয়নের পক্ষে এস এম শফিউল আলম পৃথক দুটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। রিটের পর হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট সরকারি পক্ষগুলোর প্রতি রুল জারি করেন।
রিটকারীদের আইনজীবী ফয়সল মাহমুদ ফয়জী জানান, রুল নিষ্পত্তির আগেই পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় সদর দপ্তর স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা হলে বুধবার আদালত তিন মাসের জন্য স্থিতাবস্থা জারি করেন।
আদালতের আদেশের ফলে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন এবং সুয়াবিল ইউনিয়নকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে উত্তর উপজেলার অন্যান্য প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম চলবে।
রিটকারীদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী জয়নাল আবেদীন, এহসানুল করিম, সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ প্যানেলের আইনজীবীরা।
কালের সমাজ/কে.পি

