ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩

পর্নোগ্রাফি তৈরি, সুমাইয়াকে নিয়ে বেরিয়ে এলো আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ২০, ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম পর্নোগ্রাফি তৈরি, সুমাইয়াকে নিয়ে বেরিয়ে এলো আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫)। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে। একই মামলায় মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তার উপার্জনে সম্মতি ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন পুলিশের নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, মোবাইল ফোনভিত্তিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সুমাইয়া সাঈদ | STAR NEWS

পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার বাবা মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন।

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় নীল ছবি তৈরি, গ্রেপ্তার সুমাইয়া - Trenadi -  ত্রিনদী

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত, চক্রটির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য গ্রেপ্তার দুজনের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

কালের সমাজ/এসআর

অপরাধ বিভাগের আরো খবর

Link copied!