ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
মরদেহের অপেক্ষায় স্বজনরা

কলকাতায় হোটেলে আগুনে সাতক্ষীরার দুইজনের মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি,সাতক্ষীরা | আগস্ট ২০, ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম কলকাতায় হোটেলে আগুনে সাতক্ষীরার দুইজনের মৃত্যু

ভারতের কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে দুই জন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামে। তারা হলেন আলিমুজ্জামান সাজু ও রেবতি সরকার। বুধবার রাতে তাঁদের মৃত্যুর খবর স্বজনদের কাছে পৌঁছালে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চলছে শোকের মাতম। স্বজনেরা এখন অপেক্ষা করছেন মরদেহ দেশে ফেরার। বৃহস্পতিবার সকালে কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামে আলিমুজ্জামান সাজুর বাড়িতে সকাল থেকে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড়।  সাজুকে নিয়ে সবাই স্মৃতিচারণ করছেন। কাঁদছিলেন সাজুর বড় ভাই সাহেব সরদার ও বড় ভাবি কানিস আক্তার। সাহেব সরদার বলেন, ‘সাজু পাঁচ–ছয় দিন আগে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিল। সে সুস্থ-সবল ছিল। শরীর চেকআপ করানোর জন্যই গিয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জানতে পারি, ওই আগুনে সাজু মারা গেছে।
মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ হয়েছে। সাহেব সরদার বলেন, ‘মরদেহ দেশে আনার জন্য সেখানে আইনগত প্রক্রিয়া কিছু প্রক্রিয়া শেষ দেশে মৃতদেহ দেয়া হবে বলে তারা জেনেছেন।
সাজুর প্রতিবেশী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, তাঁদের বাড়ি পাশাপাশি। সাজুর সঙ্গে তাঁর বন্ধুর মতো সম্পর্ক ছিল। তিনি বলেন, ‘সাজু সব সময় আমাদের সঙ্গে থাকত।  অন্যদিকে তারালী ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে রেবতী সরকারের ঘর তালাবদ্ধ। 
তার নিকটাত্মীয় তপন সরকার  বলেন, রেবতী তাঁর বৌদি। চিকিৎসার জন্য ১০ দিন আগে তিনি ভারতে গিয়েছিলেন। কলকাতায় ছিলেন। শনিবার তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল। তপন সরকার বলেন রাতে তার দাদা ভবেশ সরকার তাকে তার বৌদির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এরপর থেকে তাঁর ফোনও বন্ধ। তপন জানান, রেবতী ও ভবেশ সরকারের দুই সন্তান। ছেলে অনিক সরকার অনার্সের দ্বিতীয় বর্ষে এবং মেয়ে ত্রিশা সরকার এএইচসি দ্বিতীয় বর্ষে ছাত্রী।  দুই পরিবারের স্বজনরা জানান, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁরা সরকারি পর্যায়ের যোগাযোগ করা হচ্ছে। খুব দ্রুত মৃতদেহ দেশে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্বজনরা।

কালের সমাজ/কে.পি

গ্রাম-গঞ্জ বিভাগের আরো খবর

Link copied!