সাতক্ষীরার দেবহাটায় মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যার ঘটনায় ফজলুল হক সহ ১০জনের নাম উল্লেখ করে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছে। দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, শামীমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ফজলুল হক আমিনীর উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য পর্যালোচনা করছে পুলিশ। তাঁর আচরণের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। তাঁকে আটক করতে অভিযান চলছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো পুলিশ সংরক্ষণ করেছে বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, ভিডিও পর্যালোচনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় হামলা ও মারধরে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ওসি বলেন, হাসপাতালে হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, নিহত শামীমের বড় ভাই আবদুল জলিল বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভ (সরাসরি সম্প্রচার) করে লোকজন জড়ো করা হয়। এরপর দফায় দফায় তাঁকে পেটানো হয়। পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে সেখানেও তাঁকে মারধর করা হয়। এরপর টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালের বাইরে নিয়েও পেটানো হয়। শেষে মরদেহের ছবি ফেসবুকে পোস্ট দেয়া হয়। এদিকে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান বলেছেন, দেবহাটার শামিম হত্যাকান্ডে তার দলীয় কোন নেতা কর্মী জড়িত নয়। দলটির কোন নেতা বা সদস্য জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কালের সমাজ/কে.পি

