ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১৬ নম্বর ননীক্ষীর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ রনি আহমেদের সহধর্মিণী মিতা আহমেদ।
চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপগুলোতে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী, পূজা আয়োজক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মিতা আহমেদ বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ননীক্ষীর ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর প্রত্যাশা।
এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিমের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন মিতা আহমেদ। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের মতামত ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।
পিতার শিক্ষাবিস্তারের অবদান স্মরণ নিজের বক্তব্যে পিতা বেলায়েত হোসেন মৃধার শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের কথাও তুলে ধরেন মিতা আহমেদ।
পারিবারিক সূত্রে জানা তথ্য অনুযায়ী, একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি মুকসুদপুরের পশারগাতী ইউনিয়নে কৃষ্ণাদিয়া বাগু মৃধা উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৮৬ সালে বিদ্যালয়ের জন্য ১ একর ৪ শতাংশ জমি দান এবং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে নগদ ১২ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে জানানো হয়।
মিতা আহমেদ বলেন, তাঁর পিতার শিক্ষাবিস্তারের উদ্যোগ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।
উল্লেখ্য, বেলায়েত হোসেন মৃধা জীবদ্দশায় পশারগাতী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
কালের সমাজ/কে.পি

