ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে অশালীন পোস্ট করেছেন; এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে শান্ত ও সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এ ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে জনসংযোগ দফতরের উপ-পরিচালক ফররুখ মাহমুদের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ঘটনা তদন্তের জন্য সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. আনোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষক জাওয়াদ ইবনে ফরিদকে সদস্য সচিব করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্য হলেন, আইসিটি বিশেষজ্ঞ ও সহকারী প্রক্টর ড. মোসাদ্দেক খান।
কমিটি ইতোমধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলেছে। গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হলের সৌন্দর্য ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে হলের অভ্যন্তরে সব ধরনের দেয়াল লিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কন থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বিষয়টি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। একই সঙ্গে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়ার জন্যও সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা প্রদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে শাহবাগ থানায় শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুব কায়সারকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির বাকী সদস্যরা হলেন- সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. শান্টু বড়ুয়া, ড. মো. মোসাদ্দেক খান , ড. রফিকুল ইসলাম , রেজাউল করিম সোহাগ, আমজাদ হোসেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কালের সমাজ/এসআর

