২০১২ সালে করণ জোহরের হাত ধরে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন আলিয়া ভাট। ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ছবিতে অভিনয় করে ক্যারিয়ার শুরু করেন এ অভিনেত্রী। তার পর ‘হাইওয়ে’, ‘রাজ়ি’, ‘গাঙ্গুবাই কাঠিওয়ারি’র মতো ছবির মাধ্যমে ধীরে ধীরে বলিউডের প্রথম সাঁড়ির অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন আলিয়া।
অন্যদিকে, তার স্বামী রণবীর কাপূর বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন ২০০৭ সালে। আলিয়ার আগে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছেন রণবীর, তবে আর্থিক সাফল্যের দিক আলিয়া ছাপিয়ে গেলেন স্বামীকে।
২০১৮ সালে নিজের উপার্জিত টাকায় প্রথম বাড়ি কেনেন আলিয়া। লন্ডনের বিলাসবহুল এলাকা কোভেন্ট গার্ডেনে বাড়ি কেনেন তিনি। লন্ডনের এই বাড়িটির মূল্য ২৫ কোটি টাকা। আসলে মুম্বইয়ে থাকলেও অভিনেত্রী আসলে ব্রিটিশ নাগরিক। এরপর মুম্বইয়ের জুহু এলাকায় একটি বাড়ি কেনেন আলিয়া। বিয়ের আগে বোনের সঙ্গে সেখানেই থাকতেন তিনি। মুম্বইয়ের বান্দ্রা এলাকায় পালি হিল কমপ্লেক্সের পাঁচ তলায় একটি ফ্ল্যাট কেনেন আলিয়া। একই বিল্ডিংয়ের সাততলায় ফ্ল্যাট কেনেন রণবীর। সেখানেই একত্রবাস শুরু করেন তারা। ওই বাড়িতেই বিয়ে হয় তাদের। ওই বাড়ির মূল্য প্রায় ৪০ কোটি।
অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত আলিয়া। ২০২০ সালে একটি পোশাক সংস্থা খোলেন তিনি। আলিয়ার পোশাক সংস্থার বাজারমূল্য ১৫০ কোটি টাকা। এ ছাড়াও তার একটি প্রযোজনা সংস্থা রয়েছে।
এদিকে, ছবিপ্রতি আলিয়া পারিশ্রমিক নেন প্রায় ১৫ কোটি টাকা। প্রযোজনা সংস্থার নামে মুম্বইয়ের বান্দ্রায় একটি অ্যাপার্টমেন্টও কিনেছেন আলিয়া। যার মূল্য প্রায় ৩৮ কোটি।
এছাড়াও দেশ ও আন্তর্জাতিক স্তরের একাধিক নামী ব্র্যান্ডের প্রচার দূত তিনি। বিজ্ঞাপন প্রতি তার পারিশ্রমিক প্রায় ১০ কোটি। ২০২৫ সালের অর্থবর্ষের হিসেবে তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫৫০ কোটি।
যদিও রণবীর বেছে বেছে ছবি করেন। খুব একটা যে ব্র্যান্ডের প্রচার মুখ তেমনও নয়। আলিয়া যেমন বহু ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত। সেদিক থেকে রণবীর ভিন্ন। তিনি সিনেমা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। তিনি এই মুহূর্তে বলিউডের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩৪৫ কোটি। স্ত্রী আলিয়ার থেকে এই নিরিখে বেশ কিছুটা পিছিয়ে আছেন রণবীর।
কালের সমাজ/এসআর

