খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামান-এর বিরুদ্ধে। তাকে চিটির মাধ্যমে বুধবার সকালে খুলনা জেলা ডিআর অফিসে তলব করেছেন বলে কর্মকর্তা জানান
জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে আসা একাধিক ভুক্তভোগী এ অভিযোগ করেছেন।
এছাড়া নাম না বলতে অনেক দলিল লেখক বলেন, প্রচুর ঘুষ খোর এরা সাধারণ মানুষের হয়রানি প্রতিদিন করে যাচ্ছে ৷
*একাদিক পত্র পত্রিকায়*
নাহিদুজ্জামান ঘুষ বানিজ্য নিউজ প্রচার হলেও কোন ব্যবস্থা করছে না সরকার ৷ যার কারণে মানুষের আস্থা কমছে সরকারী কিছু দপ্তারের ,কাজ করতে লাগছে নগত অর্থ ৷
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার মৈখালী সাহস এলাকার বাসিন্দা মোঃ জামাল শেখ (পিতা: কাশেম শেখ, মাতা: মোমেনা বেগম) ও তার সহোদর মোঃ আলাল শেখ (পিতা: কাশেম শেখ, মাতা: মোমেনা বেগম) জন্মসূত্রে আপন দুই ভাই।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানিয়েছেন, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সঠিক রয়েছে এবং ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিস কর্তৃক তা সত্যায়িত।
ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের ০.১১ একর (এগার শতক) জমি বিক্রির জন্য দলিল সম্পন্ন করতে ডুমুরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়-এ গেলে নানা অজুহাতে দেরি করা হয়।
জমিটির চৌহদ্দি অনুযায়ী দক্ষিণে গহর আলী শেখ, পূর্বে সরকারি রাস্তা, পশ্চিমে ভদ্রা নদী এবং উত্তরে অন্যান্য জমি রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, দলিলে সামান্য ভুল দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। খুলনা জেলার সাবরেষ্ট্রিার মোঃ মিজানুর রহমান যায়যায়দিনকে বলেন ,আমার নলজে আসছে আমি তো বদলি করতে পারি না,তবে আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব ৷
ভুক্তভোগীদের একজন বলেন, আমার জরুরি চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। তাই জমি বিক্রি করতে এসেছি। কিন্তু অযথা হয়রানি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে মিল না পাওয়ায় দলিল রেজিস্ট্রি করা যাচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, তবে আবার সেই দলিল গোপনে রেষ্ট্রিকরার কারনে দলিল লেখক পাড়ায় সমলোচনার ঝড় ওটেছে ৷
ভুক্ত ভুগির ভোটার কার্ড করার সময় তার মুখে দাড়ি ছিল না, এখন দাড়ি থাকায় চিনতে সমস্যা হচ্ছে। তবে ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে রক্ষা পায়।

