ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

হরমুজ প্রণালিতে আরও ৬ জাহাজে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | মার্চ ১২, ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম হরমুজ প্রণালিতে আরও ৬ জাহাজে হামলা

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১১ মার্চ) ইরাকের জলসীমায় হামলার পাশাপাশি পারস্য উপসাগরের আরও চারটি জাহাজ প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর এ ধরনের হামলাকে চলমান ইরান যুদ্ধের বড় ধরনের বিস্তার হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ অঞ্চলে অন্তত ১৬টি জাহাজ হামলার মুখে পড়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়ে ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস সতর্ক করে জানিয়েছে, ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা তাদের মিত্রদের কাছে ‘এক ফোঁটা তেলও’ রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি তেল পরিবহন বন্ধের চেষ্টা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেবে। তিনি তেল কোম্পানিগুলোকে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানিয়েছেন।

ইরাকি বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার শিকার হওয়া দুটি জাহাজ হলো মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘সেফ সি বিষ্ণু’ এবং মাল্টার পতাকাবাহী ‘জেফিরোস’। জাহাজ দুটি ইরাক থেকে জ্বালানি পণ্য বহন করছিল।

ইরাকের রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন সংস্থা সোমো জানায়, ‘সেফ সি বিষ্ণু’ একটি ইরাকি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভাড়া করা হয়েছিল এবং ‘জেফিরোস’ বসরা গ্যাস কোম্পানির জ্বালানি পণ্য পরিবহন করছিল। ইরাকি জলসীমার ভেতরে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে পণ্য স্থানান্তরের সময় হামলার ঘটনা ঘটে।


 

Link copied!