ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মঈনুল ইসলাম মাঈনুদ্দীন (২৫) হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মুকসুদপুর উপজেলা পর্যায়ের নেতা তানিজম মৃধাকে খুঁজছে পুলিশ। তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, তানিজম গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার নগর সুন্দরদী গ্রামের মোক্তার আলীর ছেলে। যাত্রাবাড়ী থানার মামলাটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে দায়ের করা হয়। এতে দণ্ডবিধির ৩০২, ১১৪ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার বাদী ও নিহত মঈনুদ্দীনের বাবা কামরুল ইসলাম এজাহারে অভিযোগ করেন, ২১ জুলাই ২০২৪ দুপুরে শনির আখড়া ব্রিজের উত্তর-পূর্ব পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় মঈনুদ্দীন হামলার শিকার হন। তাকে গুলি করে আহত করার পর লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়।
পরে গুরুতর আহত মঈনুদ্দীনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ জুলাই রাত ১টা ৫৪ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইফাত আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার কয়েকজনকে আদালতের অনুমতি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও তদন্তে সংগৃহীত অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তানিজমের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, তানিজমকে গ্রেপ্তার করা গেলে হত্যাকাণ্ডে তার ভূমিকা ও ঘটনার অন্যান্য দিক সম্পর্কে আরও তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে। যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের মিছিলের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করেও তানিজমের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। তানিজমের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কালের সমাজ/কে.পি

