গেল ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন।
২৩ জুন তিনি কুয়ালালামপুর থেকেই বেইজিংয়ে যাবেন এবং ২৬ জুন তার ঢাকার ফেরার কথা রয়েছে। ভারত-চীনকে এড়িয়ে তৃতীয় দেশ বেছে নেয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আশা করছে ঢাকা।
শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
সফর বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চীন সফরে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আশা করছে ঢাকা। সেখানে চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভগুলোকেও স্বাগত জানায় ঢাকা। এতে অংশ নেয়ার বিষয়ে সফরের পরেই জানানো সম্ভব হবে বলেও জানান সচিব।
প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হবে।
এদিকে মালয়েশিয়া সফরে দেশটির শ্রমবাজারে আরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রবেশ সহজ করার চেষ্টা করা হবে। তবে, তাদের দেশটির নিজস্ব রিভিউ শেষ হলেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।
আসিয়ানের সদস্য হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে সমর্থনে মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানানো হবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও রাজার সঙ্গে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কথা রয়েছে।
কালের সমাজ/এএইচবি

