ঢাকা সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

স্পোর্টস ডেস্ক | এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১০:৫১ এএম বিশ্বকাপের প্রাইজমানি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোতে ভ্রমণ, আবাসন এবং উচ্চ করের কারণে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় প্রাইজমানি ও অংশগ্রহণ ফি আরও বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।

কাল (২৮ এপ্রিল) ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কাউন্সিলের সভায় এই বর্ধিত তহবিলের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে।

এর আগে বিভিন্ন দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল যে, উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো) যাতায়াত এবং বিশাল দূরত্বের কারণে অপারেশনাল খরচ অনেক বেশি। এমনকি কোনো দল টুর্নামেন্টের শেষ ধাপ পর্যন্ত পৌঁছালেও উচ্চ কর ও ব্যয়ের কারণে শেষ পর্যন্ত তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে ইংল্যান্ডসহ ইউরোপীয় বড় দলগুলো ফিফাকে এই প্রাইজমানি বাড়ানোর জন্য জোরালো অনুরোধ জানিয়ে আসছিল।

গত ডিসেম্বর মাসে ফিফা রেকর্ড ৭২৭ মিলিয়ন ডলারের একটি আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। আগের ঘোষণা অনুযায়ী প্রাইজমানির ভাগ ছিল নিম্নরূপ:

চ্যাম্পিয়ন দল: ৫০ মিলিয়ন ডলার। 
রানার্স-আপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার। 
সর্বনিম্ন নিশ্চিত আয়: ১০.৫ মিলিয়ন ডলার (৯ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি + ১.৫ মিলিয়ন ডলার প্রস্তুতি ফি)।

তবে নতুন সিদ্ধান্তের পর এই অংকগুলো আরও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রে একেক রাজ্যে করের হার ভিন্ন। যেমন- নিউ জার্সিতে ১০.৭৫% এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৩.৩% পর্যন্ত কর দিতে হতে পারে। ফিফা নিজে করছাড় পেলেও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য এই সুবিধা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে দলগুলোকে তাদের আয়ের ওপর বড় অংকের ট্যাক্স দিতে হবে, যা মেটাতেই এই বাড়তি প্রাইজমানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ফিফার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, “২০২৬ বিশ্বকাপের চার বছরের চক্র থেকে ফিফা প্রায় ১১ থেকে ১৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমাদের এই শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানের সুফল সরাসরি সদস্য দেশগুলোর কাছে পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

শুধুমাত্র প্রাইজমানিই নয়, ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের জন্য বরাদ্দকৃত ‍‍`ফিফা ফরোয়ার্ড‍‍` বা উন্নয়ন তহবিলও বাড়ানো হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

কালের সমাজ/এসআর

Link copied!