সন্ধ্যা ৭টার পর যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, লিংক রোড, গুলশান ও ভাটারা এলাকায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে হঠাৎ করেই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে এবং কিছু সময়ের জন্য জনজীবনে সতর্কতা দেখা যায়।
বাংলাদেশ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ দল (বিডব্লিউওটি) আগেই জানিয়েছিল, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে বছরের প্রথম প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’ সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে দেশের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কয়েকটি এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিপাত হতে পারে। রাতের দিকে এই বৃষ্টিবলয় সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চল দিয়ে দেশের ভেতরে প্রবেশ করবে এবং আগামী ১৮ মার্চের দিকে উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সময় দেশের কিছু অঞ্চলে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত এবং বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এ সময় উত্তর বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। এছাড়া অতিবৃষ্টির কারণে সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় সীমিত আকারে পাহাড় ধসের ঝুঁকিও থাকতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিবলয় কৃষির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে দেশের প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ এলাকায় সেচের চাহিদা পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, ১৩ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত এই বৃষ্টিবলয় সক্রিয় থাকতে পারে এবং ১৬ মার্চ পর্যন্ত এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

