শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রহমতখালী খাল, ওয়াপদা খাল, জকসিন খাল ও মান্দারী খাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক।
মন্ত্রী বলেন, “১৭ বছরের জঞ্জাল ও আবর্জনা আমাদের পরিষ্কার করতে হবে। আমরা নির্বাচিত সরকার হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব বিভাগ ও দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব। জনগণের স্বার্থে এবং তাদের পাশে থেকে দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মার্চ কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খালে খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমে সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে।
মন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। তখন এর সুফল হিসেবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাছ চাষের প্রসার ঘটেছিল। তিনি বলেন, সারা দেশকে স্বনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং সেই কর্মসূচি তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রহমতখালী, ওয়াপদা, জকসিন ও মান্দারী খাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গেছে অনেক জায়গায় খালে ময়লা-আবর্জনা জমেছে এবং কিছু অংশ দখল হয়ে আছে। এগুলো অপসারণ না করলে খাল খননের সুফল পাওয়া যাবে না।
তাই খাল খননের পাশাপাশি অবৈধ দখলদার ও যারা খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন, তাদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সবার আন্তরিকতা ও সহযোগিতায় এই কর্মসূচি সফল হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর লক্ষ্মীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ জামান খান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন-এর সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এম বেলাল হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।

