ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কাগদি সরজনকান্দা গ্রামের এক শিক্ষকের বসতবাড়ি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘটনার ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
ভুক্তভোগী শিক্ষক আলামিন জানান, অগ্নিকাণ্ডে তার ঘরে থাকা পাট, ধান, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও কাপড়চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে যায়। আগুন লাগার সময় স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পুরো ঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়। বর্তমানে পরিবার নিয়ে তিনি ভাড়া বাসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আগুনে সব কিছু হারিয়েছি, কিন্তু আমার পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। জেলা বা উপজেলা প্রশাসন থেকে কোনো সহায়তা পাইনি। এমনকি কেউ ঘটনাস্থল পরিদর্শনেও আসেনি।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের পর সাধারণত প্রশাসন ও স্থানীয় বিত্তবানরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালেও এই ক্ষেত্রে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি, যা এলাকাবাসীর মধ্যেও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, সরকারি তহবিলে অর্থ সংকট থাকায় তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান সম্ভব হয়নি।
তবে সম্প্রতি সালথায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিন ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করে সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে এসে অসহায় শিক্ষক পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
কালের সমাজ/কে.পি

