কক্সবাজার টেকনাফে ১৪নং ব্রীজের পাশে গহীন পাহাড় থেকে নেমে টেকনাফ - কক্সবাজার মহাসড়কে পালকি গাড়ি
ব্রেকেট দিয়ে থামিয়ে দিন দুপুরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বিকাশ সেল ম্যানের কাছ থেকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ও হাতে ছুরির আঘাত করে ৫৭ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল। পাশাপাশি গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের আতঙ্ক করতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে ডাকাত দল গহীন বনের দিকে পালিয়ে যায়। খবর শুনার সাথে সাথে ঘটনা স্থলে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাব-১৫`র সদস্যরা তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং যান চলাচল সচল করেন। তবে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। কিন্তুু ডাকাতরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
আহতরা হলেন, টেকনাফের দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার হাসানের ছেলে আরমান (২৮), পিতা: হাসান এবং সাবরাং কাটাবনিয়ার মোহাম্মদ সৈয়দের ছেলে একরাম (২৩)।
রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে দমদমিয়া ১৪ নং ব্রীজের টেকনাফ কক্সবাজার মহাসড়কে উক্ত ঘটনা ঘটে।
আহত আরমানের চাচা জাফর জানান, ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর টেকনাফ থেকে পালকি বাসে করে হ্নীলার বিকাশের দোকানে টাকা পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন আরমান ও একরাম। পথে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের ১৪ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় আগে থেকেই উদ পেতে থাকা ডাকাত দলের সদস্যরা মহাসড়কে গাছ ফেলে বাসটির গতিরোধ করে। প্রায় ৫৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাস থামার পর দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো ছুরি নিয়ে ডাকাতরা বাসে উঠে বিকাশের দুই কর্মীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এ সময় আরমান ও একরামকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তাদের কাছে থাকা প্রায় ৫৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ডাকাত দলের সদস্যরা।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ডাকাতির খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনা স্থলে পৌঁছেছি। ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি। তবে উক্ত ঘটনা কারা ঘটিয়েছে তা শনাক্তে কাজ চলছে। এবং ওই এলাকায় আমাদের পুলিশের টহল চলমান রয়েছে।
কালের সমাজ/কে.পি

