"ধর্ম মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য নয়; বরং শান্তি, ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়" এমন মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে উপজেলা মাসিক সূক্ষ্ম সনাতন ধর্মসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলার ননীক্ষীর ইউনিয়নের কালীগঙ্গা মন্দির প্রাঙ্গণে এ ধর্মসভার আয়োজন করা হয়।
সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, ধর্ম যার যার, কিন্তু মানবতা সবার। মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সহমর্মিতাই সমাজকে সুন্দর করে তোলে। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিন্নতা যেন কোনোভাবেই পারস্পরিক সম্পর্ক ও সম্প্রীতির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্মীয় মূল্যবোধ মেনে চলার পাশাপাশি অন্যের ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে সমাজে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সরকারি বটিয়াঘাটা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ শ্রীমান জীবনানন্দ কীর্ত্তনীয়া।
ধর্মসভায় সনাতন ধর্মের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ধর্মসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সহকারী অধ্যাপক সাবরিনা বিনতে আহমেদ, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম শরীফ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুলটু বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান বিভা মণ্ডল, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মাহামুদুল হাসান বাপ্পী, সমাজসেবী মিতা আহমেদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দীনেশ মণ্ডল, অধ্যক্ষ সমীর শাখারী, ইঞ্জিনিয়ার চন্দন কর্মকার, দেবাশীষ বাকচী, প্রদীপ দাস, প্রণব পাণ্ডে ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাহফুজ হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
কালের সমাজ/কে.পি

