কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পুকুর থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন চাকমা। এ সময় ড্রেজার মেশিন ও বালু উত্তোলনের পাইপ খুলে নেওয়া হয়। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের ১৫-১৬টি পরিবারের বসতঘর ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের অশ্বদিয়া গ্রামের বড় বাড়ি পুকুরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অশ্বদিয়া বড় বাড়ির ইসমাইলের ছেলে নাসির উদ্দীন তাঁদের বাড়ির পাশের পৈতৃক সূত্রে পাওয়া একটি পুকুর থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। এতে আশপাশের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন এতে বাধা দিতে গেলে তাঁদের বিভিন্ন পেটোয়া বাহিনীর মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে খলিলুর রহমান, জামাল হোসেন ও ইমাম হোসেন-সহ আশপাশের ১৫-১৬টি পরিবারের বসতঘর এবং মোস্তফার ফসলি জমি ঝুঁকির মুখে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে এ ঘটনায় তাহেরা আক্তার সানু বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনওর নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন চাকমা সরেজমিনে অভিযান চালান। এ সময় ড্রেজার মেশিন বন্ধ করে বালু উত্তোলনের পাইপ খুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু রায়হান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কালের সমাজ/কে.পি

