ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গণিতচর্চা গুরুত্বপূর্ণ: ইবি উপাচার্য

ইবি | নভেম্বর ৬, ২০২৬, ১০:০০ পিএম প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গণিতচর্চা গুরুত্বপূর্ণ: ইবি উপাচার্য

প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গণিতচর্চা অন্যতম প্রধান ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭তম ‍‍`জাতীয় আন্ডার গ্র্যাজুয়েট গণিত অলিম্পিয়াড‍‍` খুলনা আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ডিজিটালাইজেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে গণিতচর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। গণিত কেবল একটি অ্যাকাডেমিক বিষয় কিংবা ক্যালকুলাসের হাতিয়ার নয়; বরং এটি সব বিজ্ঞানের মৌলিক ভাষা ও ভিত্তি। একটি উন্নত সমাজ গঠনে গণিতের প্রতি গভীর ভালোবাসা তৈরি করা প্রয়োজন।

খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এ প্রতিযোগিতাকে শুধু বিজয়ের মাধ্যম হিসেবে না দেখে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা যাচাই ও বিকশিত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ গণিত সমিতি ও এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় ইংরেজি মাধ্যমে ১২০ মিনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১০ নম্বর করে মোট ৮০ নম্বরের আটটি গাণিতিক সমস্যার সমাধান করতে দেওয়া হয়।

গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মোহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মনিরুল আলম সরকার। এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান ও অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা আগামী ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। জাতীয় পর্যায়ের সেরা প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় (আইএমসি) বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবেন।

কালের সমাজ/কে.পি

Link copied!