নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে বরাদ্দ পাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু। উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় চিহ্নিত করে বিশেষ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পৃথক তালিকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এসব বিদ্যালয়ের উন্নয়নে বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার নূরুল্ল্যাবাদ ইউনিয়নের নূরুল্ল্যাবাদ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু। তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। এ সময় এমপি টিপু বলেন, মান্দা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক বিদ্যালয়ের ভবন শ্রেণিকক্ষ হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আবার কোথাও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি বিদ্যালয় চিহ্নিত করে আলাদা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার প্রায় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পৃথক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকাগুলো ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই এসব বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বরাদ্দ পাওয়া যাবে।
বরাদ্দ পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নূরুল্ল্যাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ ফজলে রাব্বি তারেক। প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মকলেছুর রহমান মকে, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোজাম্মেল হক মুকুল এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ।
এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কালের সমাজ/কে.পি

