ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

২০ নভেম্বর চালু হতে পারে বহুল প্রতিক্ষিত পাবনা-ঢাকা সরাসরি আন্তঃনগর ট্রেন

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রতিনিধি, পাবনা | অক্টোবর ২৯, ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম ২০ নভেম্বর চালু হতে পারে বহুল প্রতিক্ষিত পাবনা-ঢাকা সরাসরি আন্তঃনগর ট্রেন

পাবনা থেকে ঢাকায় সরাসরি চলাচলের জন্য নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পাবনা প্রভাতী এক্সপ্রেস’ ও ‘পাবনা গোধূলি এক্সপ্রেস’। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেন দুটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০ নভেম্বর ট্রেন দুটি চালু হতে পারে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় দপ্তর থেকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) বরারব পাঠানো এক চিঠিতে নতুন এই আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচি ও যাত্রাবিরতি সংক্রান্ত সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়।

চিঠিতে ৮০৮ নম্বর ‘পাবনা প্রভাতী এক্সপ্রেস’ এবং ৮০৭ নম্বর ‘পাবনা গোধূলি এক্সপ্রেস’ নামে ট্রেন দুটি পরিচালনার কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮০৮ নম্বর ট্রেনটি সকাল আটটায় পাবনা স্টেশন থেকে ছেড়ে সকাল আটটা ৪৫ মিনিটে ঈশ্বরদী জংশনে পৌঁছাবে। সেখানে ইঞ্জিন ঘুরিয়ে সকাল নয়টা ১০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে দুপুর দুটো ১০ মিনিটে ঢাকা স্টেশনে পৌঁছানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ৮০৭ নম্বর ট্রেনটি বিকেল তিনটা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে রাত আটটায় ঈশ্বরদী জংশনে পৌঁছাবে। সেখানে ইঞ্জিন ঘুরিয়ে রাত আটটা ২০ মিনিটে ছেড়ে রাত নয়টা ২০ মিনিটে পাবনা স্টেশনে পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত পথ অনুযায়ী, পাবনা থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি ঈশ্বরদী বাইপাস, দাশুড়িয়া, ঈশ্বরদী জংশন, মাঝগ্রাম, চাটমোহর, বড়াল ব্রিজ, উল্লাপাড়া, শহীদ এম. মনসুর আলী, টাঙ্গাইল, জয়দেবপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। ফিরতি পথেও একই স্টেশনগুলোতে বিপরীতক্রমে যাত্রাবিরতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

রেলওয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পাবনা থেকে সকাল আটটায় নতুন ট্রেন চালু করা হলে ৭৭৯ নম্বর ঢালারচর এক্সপ্রেসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া অন্য একটি ট্রেনের সময়সূচিও আংশিক পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশোধনীগুলো অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিটি পাঠানো হয়।

এর আগে ২২ অক্টোবর পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চালুর প্রস্তুতি চলছে। ভারত থেকে আসা কোচগুলো সৈয়দপুর ক্যারেজ ওয়ার্কশপে রয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি ও দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষ হলে ১২টি কোচ নিয়ে নভেম্বরের শেষার্ধে ট্রেনটি চালুর আশা করছে রেলওয়ে। তিনি আরও জানান, পরিচালনাগত সুবিধা ও নিরাপত্তার কারণে ঈশ্বরদী জংশনে ইঞ্জিন পরিবর্তন করে ট্রেনটি চালানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ নভেম্বর নতুন এই সেবা চালু হতে পারে। তবে উদ্বোধনের তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

 

কালের সমাজ/কে.পি

Link copied!