পাবনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চলতি সপ্তাহেই শুরু হবে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ’ প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এটি চালু হলে আগামী ডিসেম্বরে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। রোববার নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বর্তমানে কমিশনিংয়ের ‘স্টেজ-সি’ পর্যায়ে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ পর্যায়ে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়িয়ে কেন্দ্রটির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, টারবাইন-জেনারেটর এবং নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে স্বাভাবিক পরিচালন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো জেনারেটরকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা। তবে গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে কারিগরি পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও শর্ত পূরণ করতে হবে। গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলেও কেন্দ্রটিতে কয়েক মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলবে।
এদিকে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ দুই দফায় বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা, যা আগের তুলনায় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেশি।
কালের সমাজ/কে.পি

