জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি আজ (১১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বাংলাদেশে তেল সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে ভারত সরকারকে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। বিকল্প উৎস হিসাবে আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির বিষয়েও কাজ চলছে। মার্চে কোনো সরবরাহ সংকট নেই। এপ্রিল ও মে মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। বাংলাদেশ ভারত থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানি করে। একই সঙ্গে পাইপলাইনে ও সমুদ্রপথে জাহাজে করে জ্বালানি তেল আমদানি করে। এছাড়া নেপাল থেকে ভারত হয়ে বিদ্যুৎ আমদানি করা হয় দেশে। সাক্ষাতে দুই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের পর ভারতের হাইকমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সরবরাহের আনুষ্ঠানিক অনুরোধের চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। এটি ভারত সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তার সম্পর্ক আছে।
জ্বালানি তেল বাংলাদেশ ভারত

