মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চাঁন্দাখোলা গ্রামের বাসিন্দা গিয়াস মোল্লা বাদী হয়ে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ৪৯৭/২০২৪। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকায় ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিমেন্ট ক্রয়ের জন্য ইমরুল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে পার্টনার হিসেবে ২৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ইমরুল হোসেন টাকা নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় গিয়াস মোল্লা আদালতে মামলা করলে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সালথা থানায় প্রেরণ করেন। পরে মামলার প্রেক্ষিতে সালথা থানায় সি.আর ৪৮/২৪ নম্বরে মামলা রুজু হয় এবং ইমরুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
পুলিশ জানায়, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ইমরুল হোসেনকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সালথা থানা পুলিশ আশুলিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় ঢাকার আশুলিয়া থানার সাবার বাসাইত এলাকার ৭০/২ ব্লকের একটি বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাকে সালথা থানায় নিয়ে আসা হয় এবং বুধবার (১১ মার্চ) সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার বাদী গিয়াস মোল্লা বলেন, ব্যবসার কাজে ইমরুল হোসেনকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করি। পরে আদালত থেকে ওয়ারেন্ট জারি হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

