ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন না দেওয়ার কারণ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে জামায়াত জোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর কারণ জানান জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, জামায়াতে এক পরিবারে দুই সংসদ সদস্যের নীতি না থাকায় আমিরের সহধর্মিণীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র দেওয়া হয়নি। এই জায়গা শহীদ পরিবারের মা কে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ সমাজে বিভিন্ন বিষয়ে অবদান রাখাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নারীরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে ভালো কিছু বয়ে আনবেন। বিরোধীদলের আসনে বসে জনকল্যাণ এবং দেশের স্বার্থে কাজ করবেন। সরকার কোনো প্রকার ভুল বা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিলে তারা সেখানে ভূমিকা পালন করবেন। সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা জামায়াত জোটের ৭৭ জনের সঙ্গে ১৩ জন সংরক্ষিত নারী প্রতিনিধি সংসদে ভূমিকা রাখবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াত জোটের ১৩টি আসনের মধ্যে জামায়াত ৮টি, জোট শরিকদের জন্য বাকি ৫টি আসন ভাগ করা হয়েছে। জাগপার একজনকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সংসদে ২টি আসন পেলেও তাদের সংরক্ষিত নারী আসন ১টিতে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। বাকি আসনে এনসিপির প্রতিনিধিদের দেওয়া হয়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ১৩ জনের বাইরে কেউ নেই। সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারাই সংসদে যাবেন বলে আশাবাদী।
এনসিপির প্রার্থী মুনিরা শারমিন সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছর পার না হলে প্রার্থী হতে পারবেন না বলে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, এজন্য মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না বলে আশাকরি।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
কালের সমাজ/এসআর

