বাগেরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি নেত্রী রুনা গাজীকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের একটি বড় অংশ। আসন্ন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিশ্বাস।
রুনা গাজী সাবেক চিতলমারী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে চিতলমারী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রচার-প্রচারণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিশেষভাবে আলোচিত হন। বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে গণসংযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জন করেন বলে জানা গেছে।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী সংরক্ষিত আসন রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন (ইসি) চলতি বছরের মে মাসের মধ্যেই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন আয়োজন করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় রুনা গাজী মামলা-হামলার শিকার হলেও কখনও রাজপথ ছাড়েননি। সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ও আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনার জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
রুনা গাজী চিতলমারী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি এবং বর্তমান চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফজলুল হক শেখের সহধর্মিণী।
এ বিষয়ে রুনা গাজী বলেন, দল আমাকে যদি সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি নারীদের স্বাবলম্বী করা, এলাকার উন্নয়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকতার সঙ্গে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে তৃণমূল পর্যায়ে জোরালো জনমত তৈরি হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়নে শেষ পর্যন্ত কার ওপর আস্থা রাখে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।


আপনার মতামত লিখুন :